
বড়াইগ্রামে মিথ্যা মামলায় ভুক্তভোগীকে হয়রানি, অভিযুক্তদের গ্রেফতারে গড়িমসি
নিজস্ব প্রতিনিধি:
নাটোরের বড়াইগ্রাম থানায় মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে হয়রানির তথ্য পাওয়া গেছে। ঘটনার বর্ননায় জানা যায় জোনাইল ইউনিয়নের চরগোবিন্দপুর গ্রামের গোলজার হোসেনকে স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দের প্ররোচনায় একই গ্রামের রন্জু মিয়া তার নয় বছরের মেয়েকে ধর্ষন চেষ্টার মিথ্যা অভিযোগ আনে, এবং গোলজার হোসেনকে কিছু না জানিয়ে বাড়িথেকে জোর পূর্বক তুলে এনে সালিশের মাধ্যমে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করে।
অভিযোগকারী গোলজার হোসেন জানান, সম্প্রতি বড়াইগ্রামের চরগোবিন্দপুর এলাকায় কয়েকজন বিএনপি নেতা সহ অনেকের বিরুদ্ধে তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়, ১। মোঃ রন্জু মিয়া (৩৫) ২। মোঃ জাহাঙ্গীর (৩২)পিতা মোঃ নওয়াব আলী ৩। মোঃ আলগীর (৪৫) ৪। মোঃ ইয়াছিন(৪০) ৫।মোঃ আবুল কালাম (৪০) ৬। মোঃ আছান (৫০) ৭।মোঃ আশরাফুল (৬০) ৮।নূর মোহাম্মদওরফে নূর আলি (৬৫) সহ আরো অনেকে অভিযুক্তরা পরিকল্পিতভাবে তার কাছে এসে বিভিন্ন মিথ্যা অভিযোগে জড়িয়ে, শারীরিক ও আর্থিক ক্ষতি সাধন করে এবং পরে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার জনতা ব্যাংকের চেক জোরপূর্বক লিখে নেয়।
তিনি দাবি করেন, ঘটনার পরও বড়াইগ্রাম থানার ওসি অভিযুক্তদের গ্রেফতার না করে এবং আমার স্বাক্ষরিত চেক উদ্ধার না করে উল্টো বিভিন্ন সময়ে তাকে হয়রানি করছেন। এমনকি মিথ্যা অভিযোগে গ্রেপ্তার করার ভয় দেখানোর জন্য বাড়িতে দিনে রাতে পুলিশ পাঠাচ্ছেন এবং মানসিক চাপ সৃষ্টি করার অভিযোগও করেছেন তিনি।
তিনি আরও বলেন বিষয়টি সত্য ঘটনা হলে তারা অবশ্যই থানায় অভিযোগ করতো কিন্তু অভিযুক্তরা তা না করে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের নিয়ে বল প্রয়োগ করে মারধর করে চেকে স্বাক্ষর করিয়ে নেয়। পরবর্তীতে চেক উদ্ধারের অভিযোগ দিলে অভিযুক্তরা নিজেদের বাঁচাতে তারাও থানায় মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে।
গোলজার হোসেনের অভিযোগ, “আমি ন্যায়বিচার চাইতে থানায় গিয়েছিলাম। কিন্তু উল্টো আমাকে হয়রানি করা হচ্ছে।
স্থানীয়দের দাবি, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের গ্রেফতারের মাধ্যমে ভুক্তভোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।