1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
  2. dailymuktobhor24@gmail.com : dailymuktobhor24 :
নওগাঁ এনায়েতপুরে মাটির ভাঁড়েই ঘুরছে জীবিকার চাকা - dailymuktobhor24
৪ঠা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ২১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| সোমবার| সকাল ৯:৪৫|
শিরোনামঃ
মেয়র প্রার্থী সাইজুদ্দিনের সএসসি পরীক্ষার্থীদের এবং অভিভাবকদের মাঝে পানি ও খাবার বিতরণ। প্রান্তিক পর্যায়ে স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছে দিতে ৫০ শয্যা হাসপাতাল ১০০ শষ্যায় উন্নীত করা হবে-ফজলুল হক মিলন, এমপি বড়াইগ্রামে মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড—৫০০ টাকার নেশা, প্রাণ দিলেন মা সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সন্ত্রাসী বাহিনীর হাতে সাংবাদিক লাঞ্ছিত, রূপগঞ্জে নিন্দার ঝড় আএাইতে পুলিশের মাদকবিরোধি অভিযান:৷ জনহয়রানি ও চাঁদামুক্ত দলিল রেজিস্ট্রি’র প্রত্যয়: পবার নবগঠিত কমিটি ধামইরহাটে দোকান চুরির ঘটনায় দুই কুখ্যাত চোর গ্রেফতার। রাজশাহীতে উদ্ধারকৃত ১২ বছরের শিশু আঁখির অভিভাবকদের সন্ধান চায় পুলিশ রাজশাহী বোয়ালিয়া থানার অভিযানে নারীসহ দুই মাদক ব্যাবসায়ী গ্রেফতার । একজন আইনজীবীকে সব বিষয়ে সম্যক ধারণা রাখতে হবে: এমপি মিলন।

নওগাঁ এনায়েতপুরে মাটির ভাঁড়েই ঘুরছে জীবিকার চাকা

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, মার্চ ৯, ২০২৬,
  • 82 Time View

নওগাঁ এনায়েতপুরে মাটির ভাঁড়েই ঘুরছে জীবিকার চাকা

সেলিম রেজা
রাজশাহী

নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার ছোট যমুনা নদীর তীরঘেঁষা এনায়েতপুর গ্রামে এখনও টিকে আছে শত বছরের পুরোনো মৃৎশিল্পের ঐতিহ্য। তবে সময়ের পরিবর্তনে সেই ঐতিহ্য এখন টিকে থাকার সংগ্রামে। বাজারে প্লাস্টিক, স্টিল ও মেলামাইনের পণ্যের বিস্তারে মাটির তৈজসপত্রের চাহিদা কমে যাওয়ায় এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত পরিবারগুলো পড়েছে সংকটে।
এনায়েতপুর গ্রামের পালপাড়ায় বসবাস প্রায় ৮৫টি পরিবারের। এর মধ্যে প্রায় ৮০টি পরিবার বংশপরম্পরায় মৃৎশিল্পের সঙ্গে যুক্ত। একসময় এখানকার কারিগররা থালা, কলস, গ্লাসসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় নানা ধরনের মাটির সামগ্রী তৈরি করতেন। এসব পণ্যের ভালো বাজারও ছিল আশপাশের বিভিন্ন এলাকায়। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই চিত্র বদলে গেছে। এনায়েতপুর গ্রামে প্রতি মাসে প্রায় দুই লাখ দইয়ের ভাঁড় উৎপাদন হয়। যার পাইকারি বাজারমূল্য প্রায় ১২ লাখ টাকা।
তথ্য সূত্রে জানা যায়, জেলার বদলগাছী, মহাদেবপুর, রানীনগর ও আত্রাই উপজেলায় প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মৃৎশিল্পের সঙ্গে জড়িত। তবে চাহিদা কমে যাওয়ায় তাদের আয়ও ক্রমেই কমছে।
মৃৎশিল্পী মদন পাল বলেন, আগে মাটির থালা-বাসন, কলস বা পানির গ্লাস তৈরি করে আমরা ভালো আয় করতাম। কিন্তু এখন এসব পণ্যের চাহিদা অনেক কমে গেছে। তাই আমরা মূলত দইয়ের ভাঁড় তৈরির দিকেই ঝুঁকেছি। বাপ-দাদার পেশা ছেড়ে অন্য কাজে যাওয়া আমাদের জন্য কঠিন। তাই আয় কম হলেও এই পেশা ধরে রাখার চেষ্টা করছি।
মৃৎশিল্পী পরিমল পাল বলেন, বর্তমানে পালপাড়ার বেশিরভাগ পরিবারই দইয়ের ভাঁড় তৈরির ওপর নির্ভরশীল। তবে আমরা কেউ কেউ এখনও ঐতিহ্য ধরে রাখতে মাটির অন্যান্য তৈজসপত্রও তৈরি করছি। মানুষের মধ্যে মাটির পাত্র ব্যবহারের উপকারিতা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়লে আমাদের এই শিল্প আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারে বলে আমি মনে করি।
মৃৎশিল্পী পূর্ণিমা পাল জানান, একজন কারিগর দিনে শতাধিক দইয়ের পাত্র তৈরি করতে পারেন। কিন্তু মাটি সংগ্রহ, জ্বালানি ও অন্যান্য খরচ বাদ দিলে প্রতি পাত্রে লাভ থাকে মাত্র দুই থেকে তিন টাকা। এতে সংসার চালানো বেশ কঠিন হয়ে পড়েছে।
এ বিষয়ে বদলগাছী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত জাহান ছনি বলেন, ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্প টিকিয়ে রাখতে কারিগরদের প্রশিক্ষণ ও আধুনিকায়নের উদ্যোগ নিতে উপজেলা প্রশাসন সার্বিক সহযোগিতা করবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025                    thmes cretaed by bditwork