
গাজীপুরে সাংবাদিক তুহিন হত্যা: প্রধান আসামি কেটু মিজান দম্পতিসহ সাতজন গ্রেফতার
আশিকুর রহমান: গাজীপুরে সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি কেটু মিজান ও তার স্ত্রী গোলাপীসহ মোট সাতজনকে গ্রেফতার করেছে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি) ও র্যাব-১। গ্রেফতার অভিযানে অংশ নেয় জিএমপির গোয়েন্দা বিভাগ (দক্ষিণ), বাসন মেট্রো থানা পুলিশ এবং র্যাবের বিশেষ দল।
পুলিশ জানায়, তুহিন হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী কেটু মিজান ও তার স্ত্রী গোলাপীকে শুক্রবার গভীর রাতে গাজীপুরের ভবানীপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করে জিএমপি গোয়েন্দা (দক্ষিণ) বিভাগ। হত্যায় সরাসরি জড়িত আলামিনকে ঢাকার তুরাগ এলাকা থেকে গ্রেফতার করে জিএমপি বাসন মেট্রো থানা পুলিশ।
এছাড়া, র্যাব-১ এর একটি দল স্বাধীনকে আটক করে। সুমনকে আটক করে জিএমপি গোয়েন্দা (দক্ষিণ) পুলিশ। শাহজালালকে ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার চর মসলন্দের মোড়লপাড়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করে বাসন থানা পুলিশ। ফয়সালকে গাজীপুর মহানগরের বাসন থানার চান্না মাহবুব স্কুল মোড় এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।
গত বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) রাত পৌনে ৮টার দিকে গাজীপুর মহানগরের ব্যস্ত চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় সন্ত্রাসীদের হাতে নৃশংসভাবে খুন হন সাংবাদিক তুহিন। জানা যায়, স্থানীয় একটি অপরাধী চক্রের অস্ত্রের মহড়ার ভিডিও ধারণ করায় ক্ষুব্ধ হয়ে কেটু মিজানসহ তার সহযোগীরা এ হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করে।
তুহিন হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে ঘটনার পর থেকেই জিএমপি ও র্যাব একযোগে অভিযান চালায়। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন এবং হত্যাকাণ্ডের পেছনে থাকা সকল কারণ ও সহযোগীদের খুঁজে বের করতে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
সাংবাদিক সমাজ এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়েছে।