1. dailyainerkantho@gmail.com : admin :
  2. dailymuktobhor24@gmail.com : dailymuktobhor24 :
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীর মৃত্যুর পর নার্স ও পুলিশ কনস্টেবলের হাতাহাতি। - dailymuktobhor24
৪ঠা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ২১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| সোমবার| ভোর ৫:৩৩|
শিরোনামঃ
আএাইতে পুলিশের মাদকবিরোধি অভিযান:৷ জনহয়রানি ও চাঁদামুক্ত দলিল রেজিস্ট্রি’র প্রত্যয়: পবার নবগঠিত কমিটি ধামইরহাটে দোকান চুরির ঘটনায় দুই কুখ্যাত চোর গ্রেফতার। রাজশাহীতে উদ্ধারকৃত ১২ বছরের শিশু আঁখির অভিভাবকদের সন্ধান চায় পুলিশ রাজশাহী বোয়ালিয়া থানার অভিযানে নারীসহ দুই মাদক ব্যাবসায়ী গ্রেফতার । একজন আইনজীবীকে সব বিষয়ে সম্যক ধারণা রাখতে হবে: এমপি মিলন। রেলওয়ে জমি দখল করে পুনরায় অবৈধভাবে ঘর নির্মাণ। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মুরগি ড্রেসিং করা হয়,একই ড্রামের ভিতর। যশোরে ৬২০০ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার। রেলওয়ে জমি দখল করে পুনরায় অবৈধভাবে ঘর নির্মাণ।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীর মৃত্যুর পর নার্স ও পুলিশ কনস্টেবলের হাতাহাতি।

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, এপ্রিল ২৮, ২০২৬,
  • 17 Time View

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীর মৃত্যুর পর নার্স ও পুলিশ কনস্টেবলের হাতাহাতি।

রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে একজন সিনিয়র স্টাফ নার্স ও পুলিশের কনস্টেবলের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে হাসপাতালের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের অর্থোসাজারি ইউনিট-২ এর ডেন্টাল বিভাগে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ কনস্টেবল আমিনুল ইসলাম তার বৃদ্ধা মা নূরেসা বেগমকে ভর্তি করেছিলেন। তিনি দাঁতের সমস্যায় ভুগছিলেন। হাসপাতালে ভীর্ত করার পর চিকিৎসা শুরু হওয়ার আগেই তিনি মারা যান। কনস্টেবল আমিনুল ইসলামের অভিযোগ, তাঁর মায়ের চিকিৎসায় অবহেলা হয়েছে। তবে অভিযুক্ত ব্রাদার রাকিব আহম্মেদ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। কনস্টেবল আমিনুল নগরের শাহমখদুম থানায় কর্মরত। বাড়ি নাটোর সদরের দিঘাপতিয়ায়।দুজনের হাতাহাতির পর অন্য নার্স ও ব্রাদাররা ছুটে যান। পুলিশ কনস্টেবল আমিনুলকে আটকে রেখে হাসপাতাল পুলিশ বক্সে খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ ও আনসার সদস্যরা তাকে নিয়ে যান। এরপর পুলিশের ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তারা আসেন। হাসপাতাল পরিচালকের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে তারা বিষয়টির মীমাংসা করেন। পরে মধ্যরাতে মায়ের লাশ নিয়ে বাড়ি যান পুলিশ কনস্টেবল। যোগাযোগ করা হলে কনস্টেবল আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আমার মায়ের দাঁতের সমস্যা। চোয়াল বসে মুখ বাঁকা হয়ে গিয়েছিল। আমি সাড়ে ৮টার দিকে জরুরি বিভাগে নিয়ে যাই। সেখান থেকে সরাসরি অপারেশন থিয়েটারে দিল। সেখানে নেওয়ার পর ডাক্তার বললেন এটা তার কাজ না। তিনি পাঠিয়ে দিলেন ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে। সেখানে গিয়ে নার্সদের বললাম শুধু মুখটা সোজা করে দেন। চিকিৎসা পরে হবে। কিন্তু তারাও বলেন যে এটা তাদের কাজ না। অনেকক্ষণ পর ব্রাদার রাকিব আসেন। তিনিও বলেন যে এটা তিনি পারবেন না। তখন আমি বলি, পারবেন না তো দায়িত্ব ছেড়ে দেন। এই নিয়ে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। পরে হাতাহাতি। এরপর ৩০-৪০ জন এসে আমাকে আটকে রেখে পুলিশ ডাকে।’তবে পুলিশ সদস্য প্রথমেই ঘুসি মেরেছেন বলে অভিযোগ করেছেন ব্রাদার রাকিব আহম্মেদ। তিনি বলেন, ‘আমি গিয়ে দেখি রোগীর পালস নেই। আমি বুঝেছি তিনি মারা গেছেন, কিন্তু ঘোষণা দেওয়া আমার কাজ না। তাই রোগী রিসিভ না করে বলি অপারেশন থিয়েটারের যে ডাক্তার পাঠিয়েছেন, সেখানেই নিয়ে যান। এই কথা বলতেই তিনি আমাকে প্রথমে দুটি বক্সিং এবং পরে আমার কানের ওপর আরও দুটি থাপ্পড় দেন। তখন আমি তাকে আটকে রেখে বলি, আমার কী দোষ, সেটা আমাকে বলে যান। পরে পুলিশ-আনসার আসে।’ প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ওই ঘটনায় হাসপাতাল পরিচালক ও পুলিশের ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তারা গিয়ে মীমাংসা করেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে মামলা করার কথা বলছিল। তখন মামলা থেকে বাঁচতে পুলিশ কনস্টেবল আমিনুল দুঃখ প্রকাশ করেন। পরে পুলিশ কর্মকর্তারা বলেন, তার বিরুদ্ধে হাসপাতালের পক্ষ থেকে পুলিশ কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলে তারা বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এখন যেন তাকে মায়ের লাশ নিয়ে যেতে দেওয়া হয়। এতে রাজি হয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনার জেরে মঙ্গলবার সিনিয়র স্টাফ নার্স রাকিব আহম্মেদ নগর পুলিশের কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. শংকর কুমার বিশ্বাস বলেন, তিনি ছুটিতে আছেন। কিছু জানেন না। হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পি কে এম মাসুদ-উল ইসলামকে ফোন করা হলে তিনি ধরেননি। রাজশাহী নগর পুলিশের মুখপাত্র গাজিউর রহমান এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলে জানিয়েছেন। শাহমখদুম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন বলেন, ‘মায়ের চিকিৎসার জন্য আমিনুল কয়েক জায়গায় ঘুরেছেন। মায়ের মৃত্যুর পর হাতাহাতি করেছেন। এটা তার ঠিক হয়নি। এখানে দুপক্ষেরই দোষ আছে। আমিনুল যেহেতু পুলিশ সদস্য, তার বিরুদ্ধে পুলিশ বিভাগীয় ব্যবস্থা নেবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025                    thmes cretaed by bditwork