রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌষ্য কোটা বাতিলের দাবিতে আন্দোলন প্রোভিসি ও প্রোক্টরকে মারধর।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে জুবেরী ভবনের সামনে,পৌষ্য কোটা, বাতিলের দাবিকে কেন্দ্র করে
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোভিসি ও প্রক্টরের সঙ্গে আলোচনার নামে ডাকা বৈঠকে সমন্বয়ক আম্বার দায়িত্বশীল শিক্ষক সমাজের প্রতিনিধিদের প্রতি শালীনতা ও ভদ্রতা বিসর্জন দিয়ে অশোভন আচরণ করেন।
আরও আশ্চর্যের বিষয়, তিনি প্রোভিসি-প্রক্টরের গায়ে হাত তুলতে দ্বিধা করেননি।
শিক্ষা ও গবেষণার পবিত্র অঙ্গন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কখনোই এমন অসৌজন্যমূলক, রূঢ় ও শালীনতা বিবর্জিত আচরণ মেনে নিতে পারে না। দায়িত্বশীল অবস্থানে থেকে এমন আক্রমণাত্মক আচরণ শিক্ষার্থীদের কাছে নেতিবাচক বার্তা দেয় এবং শিক্ষক সমাজের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করে।
আজ শিক্ষক সমাজ নীরব থাকলেও চিরকাল নীরব থাকা সম্ভব নয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ নষ্ট করে, প্রশাসনের প্রতি অসম্মান প্রদর্শন করে কেউ পার পাবে না।
আম্বারকে মনে রাখতে হবে, বিশ্ববিদ্যালয় কোনো ব্যক্তির হাতের খেলনা নয়।
দায়িত্বশীল মহলকে অসম্মান করে কখনোই ন্যায়সঙ্গত দাবি প্রতিষ্ঠা করা যায় না।
তাঁর এহেন আচরণ শিক্ষক সমাজ ও ছাত্রসমাজের কাছে তীব্র নিন্দনীয় এবং লজ্জাজনক।