চামড়া সিন্ডিকেটের তেলেসমাতি আর দেখতে চাই না: এমপি শফিকুল হক মিলন।
সেলিম রেজা
রাজশাহী
রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন বলেছেন, কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী এতিম ও গরিব মানুষের হকের ওপর লোভাতুর দৃষ্টি দেয়, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
তিনি বলেন, “চামড়া সিন্ডিকেটের তেলেসমাতি কার্যক্রমের কারণে অতীতে চামড়া পচে যেতে ও পানির দামে বিক্রি হতে দেখা গেছে। এমন পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি আর দেখতে চাই না।”
শনিবার সকালে পবা উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে আয়োজিত আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।এমপি মিলন বলেন, দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত হলো চামড়া শিল্প। সারা বছরে যে পরিমাণ পশুর চামড়া সংগ্রহ হয়, তার বড় অংশই আসে কোরবানির ঈদে। এই চামড়ার প্রকৃত উপকারভোগী এতিম, গরিব, মিসকিন ও অসহায় মানুষ উল্লেখ করে তিনি সংশ্লিষ্টদের আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান।তিনি বলেন, সরকার চামড়া সংরক্ষণের জন্য বিনামূল্যে লবণ দিচ্ছে। তাই সবাইকে সচেতন থাকতে হবে, যেন কোনোভাবেই চামড়া নষ্ট না হয়। পশুর হাট প্রসঙ্গে এমপি মিলন বলেন, অনেক নিম্নআয়ের মানুষ সংসারের প্রয়োজনে নিজেদের লালন-পালন করা গরু-ছাগল বিক্রি করেন। তারা যেন ন্যায্য মূল্য পান এবং কোনো দালালচক্রের খপ্পরে না পড়েন, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকতে হবে। সভায় সভাপতিত্ব করেন পবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইবনুল আবেদীন। তিনি বলেন, কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে পশুর হাটে শৃঙ্খলা বজায় রাখা, দালালমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং চামড়া সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।সভায় আরও বক্তব্য দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ মেহেদী হাসান, কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ এমএ মান্নান, হড়গ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, পবা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলী হোসেন, সদস্য সচিব আব্দুর রাজ্জাক ও যুগ্ম আহ্বায়ক সুলতান আহমেদ।